Web
Analytics

শাকিব অস্ট্রেলিয়ায়, সালিশ বৈঠকে যাচ্ছেন অপু?

গত ক’মাসে বিনোদন জগতে সবচেয়ে বেশি খবরের শিরোনাম হয়েছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান এবং অপু বিশ্বাস দম্পতি। একটি বেসরকারি টিভিতে লাইভে এসে নিজের স্বামী সন্তান নিয়ে মুখ খোলার পর থেকে যে বিতর্কের সূত্রপাত, সর্বশেষ শাকিবের ডিভোর্স লেটার পাঠানো পর্যন্ত আলোচনা সমালোচনা চলছেই।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এ ডিভোর্সের আবেদন করেন শাকিব। নিয়মানুযায়ী সিটি করপোরেশন বিষয়টি সুরাহার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ জানুয়ারি ডিএনসিসির অঞ্চল-৩ এর অফিসে তাদের তালাকের বিষয়টি নিয়ে শুনানি হওয়ার তারিখ নির্ধারণ হয়। তবে অপু বিশ্বাস গেলেও সেদিন হাজির ছিলেন না শাকিব খান। এরপর ডিএনসিসি সালিশের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি নতুন দিন নির্ধারণ করে। আজ সোমবার সেই দিনটি। কিন্তু এবারও বৈঠকে হাজির থাকার সম্ভাবনা নেই শাকিব খানের। কারণ বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ‘সুপার হিরো’ ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাই এদিনও যে তাদের ডিভোর্সের বিষয়টা সুরাহা হচ্ছে না সেটা অনুমান করাই যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো অপু বিশ্বাস আগামীকাল সালিশ বৈঠকে যাবেন কিনা।


এর আগের বৈঠকে শাকিব না থাকলেও হাজির হয়েছিলেন অপু বিশ্বাস। সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল ৩-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেনের সাথে তালাক নোটিশের বিপরীতে সমঝোতা বৈঠকে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন অপু। অপু বিশ্বাস সেখানে বলেন..‘ বেশি কিছু বলার নেই। সবাই জানে আমার একটা সন্তান রয়েছে। আমি বরবারই বলে এসেছি আমি এখন বিচ্ছেদ চাই না। তাছাড়া শাকিব যে অভিযোগগুলো করেছে এগুলো ঠিক না। ওকে আমি খুঁজে পাচ্ছি না। ভেবেছিলাম আজ পাবো, পেলাম না। ওর সাথে সামনাসামনি কথা বললে সব ঠিক হয়ে যেতো। এছাড়া এখানে যে স্বাক্ষর তা তো তার না। ওর জন্য আমি ধর্ম ত্যাগ করেছি। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তাকে অন্যরা ভুল বুঝিয়েছে। সেই ভুল ভাঙাতে হবে।’

সাধারণত কোনো বিষয়ে সমঝোতায় আসতে হলে সালিশ বৈঠকে দু’পক্ষকেই উপস্থিত থাকতে হয়। কিন্তু শাকিব খান ‘থাকবেন না’ বলেই এবারও সেই সুযোগ থাকছে না। তাছাড়া শাকিব খান যে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন সে কথাও অপু বিশ্বাসের অজানা নয়। ফলে সমঝোতার কোনো আশা না থাকায় আগামীকালের বৈঠকে অপু বিশ্বাস নাও যেতে পারেন বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।

গত বছরের ২২ নভেম্বর অপুকে ডিভোর্স লেটার পাঠান শাকিব। ডিএনসিসির পারিবারিক আদালত সূত্র বলছে, কোনো পক্ষ তালাকের আবেদন করলে আদালতের কাজ হচ্ছে ৯০ দিনের মধ্যে ডেকে সমঝোতার চেষ্টা করা। এরপরও যদি তারা কোনো সমঝোতায় না পৌঁছায় তাহলে ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয়ে যায়। আর সেই সময়টা শেষ হচ্ছে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি।